3k টাকায় নিজের WiFi সার্ভার – ইন্টারনেট ছাড়াই মুভি দেখলাম
পিকনিকে নদীর পাড়ে নেটওয়ার্ক নেই। কেউ কাউকে ছবি পাঠাতে পারছে না। তখন সাজিদ ভাই ব্যাগ থেকে একটা ছোট্ট জিনিস বের করলো। কিছুক্ষণ পরে সবার ফোনে নতুন WiFi দেখা গেলো। ইন্টারনেট ছাড়াই মুভি চলছে!
পিকনিকে নদীর পাড়ে নেটওয়ার্ক নেই। কেউ কাউকে ছবি পাঠাতে পারছে না। তখন সাজিদ ভাই ব্যাগ থেকে একটা ছোট্ট জিনিস বের করলো। কিছুক্ষণ পরে সবার ফোনে নতুন WiFi দেখা গেলো। ইন্টারনেট ছাড়াই মুভি চলছে!
হাবিব চাচার ছেলে তানভীর ভাই পলিটেকনিকে পড়ে। ঈদের ছুটিতে বাড়ি এসে একটা ছোট্ট কম্পিউটার নিয়ে আসছে। বললো পুরো বাড়িকে স্মার্ট বানাবো। ফোন দিয়ে লাইট ফ্যান সব চালানো যাবে! আমি তো অবাক!
বিস্কুট কিনতে দোকানে গেছিলাম। দেখলাম সাকিব ভাই কিছু একটা বানাচ্ছে। জিজ্ঞেস করলাম কি বানাচ্ছেন। বললো তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র! আর্ডুইনো দিয়ে! আমি অবাক হয়ে গেলাম। থার্মোমিটার নিজে বানানো যায়!
স্যার স্কুলে একটা সবুজ বোর্ড নিয়ে আসলেন। বললেন এইটা দিয়ে অ্যালার্ম বানানো যায়। কেউ কাছে আসলেই বাজবে! আমরা সবাই অবাক হয়ে গেলাম। তারপর স্যার দেখালেন কিভাবে বানাতে হয়।
আর্ডুইনো প্রোগ্রামিং মানে কোড লিখে বোর্ডকে বলা কি করতে হবে। লাইট জ্বালাও বললে জ্বালাবে। সেন্সর পড়ো বললে পড়বে। আমার কাছে মনে হয় এইটা রোবটকে বুদ্ধি দেওয়ার মতো।
আমাদের সিঁড়িতে আলো ছিল না। মামা হোঁচট খাইছিল। তারপর ভাইয়া একটা ছোট সেন্সর লাগাইলো। এখন সন্ধ্যা হলেই লাইট নিজে নিজে জ্বলে যায়! কেউ সুইচ টিপতে হয় না। এইটাই Arduino Smart Light System।
আমার ভাই একদিন একটা সবুজ বোর্ড নিয়ে আসলো। বললো এইটা দিয়ে নাকি রোবট বানানো যায়! আমি তো অবাক। তারপর একটু জানার চেষ্টা করলাম। আমার কাছে মনে হয় এইটা আসলে অনেক মজার জিনিস। ভয়ের কিছু নাই।